বাইপাসের হোটেলে বিজেপির রণনীতি-বৈঠক, সপরিবারে খেতে এলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি

নিউজ ডেস্ক : সোমবার রাতে বাইপাসের ধারের একটি হোটেলে রণনীতি-বৈঠক করল বিজেপি। আর সেই হোটেল থেকে সপরিবারে বের হতে দেখা গেল আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে। হঠাৎ কেন এই হোটেল জানতে চাইলে জিতেন্দ্র তিওয়ারির মন্তব্য, ‘হোটেলে যে বিজেপি-র মিটিং হচ্ছে আমি জানতাম না৷ আর আমার এতটা খারাপ সময় আসেনি যে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে বিজেপি-র বৈঠকে কথা বলতে আসব৷’ ঘটনাক্রম যাই হোক, স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে জিতেন্দ্রর এই ভূমিকায় রাজনৈতিক অভিসন্ধি দেখছেন অনেকেই।

একুশের নির্বাচন যতই কাছে আসছে ততই জমজমাট হয়ে উঠছে বঙ্গ রাজনীতি। শাসক দল বা বিরোধী দল– সবারই লক্ষ্য ‘নেতা-নেত্রী’ হাইজ্যাক করে দল ভারী করা। সম্প্রতি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী-সহ বেশ কয়েকজন নেতানেত্রী। তেমনই শাসকদলেও এসেছে বিরোধী শিবির বিজেপি-কংগ্রেস-সিপিএম থেকে। মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দু যখন তৃণমূলকে বাইবাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তখন তারই পথ ধরে বিজেপিতে আসার তোড়জোড় শুরু করেন আসানসোলের মেয়র তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বাধ সাধলেন আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। কোনও মতেই জিতেন্দ্রকে বিজেপিতে নেওয়া যাবে না বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ দেগে বসলেন।

এদিকে জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে দলে নেওয়া প্রসঙ্গে বাবুল সুপ্রিয়র আপত্তির কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। জিতেন্দ্র তিওয়ারি-বিতর্কে বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে বৈঠকে বসল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে কথা বলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন ও শিবপ্রসাদ। বাবুল সুপ্রিয়কে ডেকে পাঠিয়ে জিতেন্দ্র তিওয়ারি সম্পর্কে জানতে চাওয়ায় তৈরি হয়েছে জল্পনা। বাবুল সুপ্রিয় জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে নিয়ে আলোচনার কথা স্বীকার করলেও, কী কথা হয়েছে, সে প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles