একুশ বছর তৃণমূল করার জন্য ‘লজ্জিত’ শুভেন্দু, মোদির হাতে বাংলাকে তুলে দেওয়ার বার্তা দিলেন কর্মীদের

নিউজ ডেস্ক: একুশে নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দিতে হবে বাংলাকে। শনিবার হেস্টিংসে নবাগতদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কর্মীদের উদ্দেশে এমনটাই বার্তা দিলেন বিজেপিতে নবাগত শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, গত একুশ বছর ধরে তিনি তৃণমূল দল করার জন্যও লজ্জিত বলেও অকপটে জানালেন।

গত শনিবার মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। তার ঠিক এক সপ্তাহ পর আর এক শনিবার তিনি হেস্টিংসে বিজেপি-র নির্বাচনী দফতরে এলেন। সে দিন শুভেন্দুর সঙ্গে বিজেপি-তে যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এদিন উপস্থিত ছিলেন। এদিন তাঁদের সংবর্ধনা জানানো হয়। ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় শাসকদল তৃণমূলকে একহাত নেন অধিকারী পরিবারের সন্তান। তিনি বলেন, “তৃণমূল একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। তাতে আর কোনও শৃঙ্খলা নেই। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে একটা প্রকৃত দলে সদস্যপদ পেয়েছি।” এছাড়াও প্রায় ২১ বছর ধরে তৃণমূলে থাকার জন্য ‘লজ্জা লাগছে’ বলেও দাবি করেন শুভেন্দু।

শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘‘বিজেপি-ই হল প্রকৃত রাজনৈতিক দল। যারা সত্যিই অফ দ্য পিপ্‌ল, ফর দ্য পিপ্‌ল এবং বাই দ্য পিপ্‌ল। আমি অমিত শাহ’জিকেও এই একই কথা বলেছি।’’ তার পরেই শুভেন্দু মোদির কথার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বাংলার কৃষকরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না বলে শুক্রবার তাঁর ভাষণে ‘আক্ষেপ’ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে শুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামিদিনে যাতে মোদির সেই ‘আক্ষেপ’ না থাকে, সেটা তাঁদের সকলকে নিশ্চিত করতে হবে। একমাত্র রাজ্য এবং কেন্দ্রে একই দলের সরকার থাকলেই যে সেটা সম্ভব, তা-ও ব্যাখ্যা করেছেন শুভেন্দু। শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শুভেন্দুর কথার কোনও জবাব আমি দেব না। যা বলবেন ব্লক সভাপতি।” তবে তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা অভিযোগ, বাংলার কৃষকদের জন্য শুভেন্দুর বুক ফাটলেও দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের জন্য তাঁর মন খারাপ করে না!

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles