জুনিয়র মৃধা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়

নিউজ ডেস্ক : জুনিয়র মৃধা খুনের পরতে পরতে লুকিয়ে রয়েছে রহস্য। জুনিয়র মৃধা হত্যাকাণ্ডে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০১১ সালের ১২ জুলাই জুনিয়রের দেহ উদ্ধারের দিন তাঁর সঙ্গে ২১ বার কথা হয়েছিল প্রিয়াঙ্কা চৌধুরীর। রাত ৯.২১-এ প্রিয়াঙ্কাকে শেষবার ফোন করেন জুনিয়র মৃধা। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়েছিল দুজনের। তারপর সাড়ে ৯টা নাগাদ খুন হন জুনিয়র মৃধা। প্রিয়াঙ্কার কল রেকর্ড ঘেঁটে ওই দিন টালিগঞ্জের একাধিক প্রযোজক-পরিচালকের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার প্রায় দুশো বার কথা হয়েছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। খুনের দিন এত বার কেন তাঁকে ফোন করেছিলেন মৃধা, সেই উত্তর পেতে প্রিয়াঙ্কাকে ডেকে জেরা করেন তদন্তকারীরা। গত রবিবার সিবিআই তাকে গ্রেফতার করে। ৭ দিনের সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। আগামী ১২ জানুয়ারি ব্যারাকপুর কোর্টে পেশ করা হবে তাকে।

সিবিআই সূত্রে খবর, মৃধা খুনের দিন তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল প্রিয়াঙ্কা। কার কথায় ঘটনার দিন জুনিয়রকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা, কেন নিজে সেখানে যাননি সেবিষয়ে প্রিয়াঙ্কার থেকে জানতে চান তদন্তকারীরা। তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
জুনিয়র মেধার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রিয়াঙ্কা চৌধুরীর সঙ্গে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মৃধার পরিচয় সোশাল মিডিয়ায়। তারপর জিমে আলাপ সামনাসামনি। ভাল বন্ধু থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একসঙ্গে বহু জায়গায় ঘুরতে গিয়েছেন তাঁরা। মৃধাকে লুকিয়ে অন্য এক জনকে বিয়ে করেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু মৃধার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তার। ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শো থেকে বান্ধবীর বিয়ের কথা জানতে পারেন মৃধা। দুজনের ঝামেলা হয়। এর কয়েক মাস পরেই খুন হন মৃধা। শুধু প্রিয়াঙ্কাই নন, ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে সিবিআইয়ের র‌্যাডারে রয়েছে আরও তিন জন। ইঞ্জিনিয়ার খুনের রহস্যভেদ করতে প্রিয়াঙ্কাকে দফায় দফায় জেরা করছেন তদন্তকারীরা।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles