‘মানুষের কথা শুনবেন না, তাঁদের মন কি বাতও বাংলার মানুষ মেনে নেবে না’

নিউজ ডেস্ক: ‘নিজেদের সংগঠনের জোর নেই, তাই ঘর ভাঙছে’। সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারী-সহ বেশ কয়েকজন নেতা ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে নাম লেখানোর ঘটনায় বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তৃণমূলের আগামী দিনের বেশ কিছু কর্মসূচি ঘোষণা করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

আনলক পর্বে ইতিমধ্যেই অমিত শাহ দু’বার রাজ্যে সফর করেছেন। তা নিয়ে কটাক্ষ করে এদিন তৃণমূলের মহাসচিব বলেন, ‘‘প্রথমে আদিবাসীর বাড়ি গিয়েছিলেন। সেখানে কিছু পাননি। নাটক করলেন। বাউলের ঘরে গিয়েও গান শুনে নাটক করলেন। কিন্তু তাঁর ‘মন কি বাত’ কেউ শুলনেল না। সব বাহুবলি নেতা। মানুষের অগাধ আস্থা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। তাই কারও বাড়ি গিয়ে ভাত খেয়ে, ডাল খেয়ে বাংলার সংস্কৃতি বদলানো যাবে না। আর মানুষের কথা না শুনে নিজেদের কথা বলা, প্রচার করা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।’’ এদিন দিলীপ ঘোষকে নিশানা করে পার্থর খোঁচা, ‘নিজেদের সংগঠনের জোর নেই, তাই ঘর ভাঙছে’।

শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিনে এ রাজ্যে এসেছিলেন অমিত শাহ। আবার নেতাজির জন্মদিনেও রাজ্যে আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগের সুরে বলেন, বিজেপি আগে কোনও দিন এই সব মণীষীদের গুরুত্ব দেয়নি। ভোটের সময় নানা অনুষ্ঠান করছে। এদিন তাঁর মুখেও শোনা গেল, ‘কোথায় ছিলেন অমিত শাহ।’

একগুচ্ছ দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করলেন পার্থ, যাতে গুরুত্ব পাচ্ছে মনীষী-স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। তিনি জানিয়েছেন, ১ থেকে ৭ জানুয়ারি রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানানো হবে। বিবেকানন্দ, গাঁধীজি, বি আর আম্বেডকরদের স্মরণ করা হবে এই সময়ে। এ ছাড়া ১ জানুয়ারি পালিত হবে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস। ২৬ জানুয়ারি জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হবে প্রজাতন্ত্র দিবস। দুঃস্থ মানুষদের সাহায্য করা, হাসপাতালে ফল ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে। ৩০ জানুয়ারি গান্ধিজির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে ব্লকে ব্লকে শদীদ দিবস পালন করা হবে।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles