Html code here! Replace this with any non empty raw html code and that's it.

বাগবাজারের ক্ষতিগ্রস্থদের আশ্বাস দিতে ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী আগুনে বিপর্যস্ত বাগবাজার বস্তি এলাকা পরিদর্শনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে কথা বলে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার কথা বলেন। চিন্তার কোনও কারণ নেই বলে আশ্বাসও দেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গতকাল রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, প্রত্যেককে নতুন ঘর বানিয়ে দেবে সরকার। এই কাজ খুব শীঘ্রই শুরু করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বুধবার রাতেই গঙ্গাসাগর মেলা থেকে কলকাতার পথে রওনা দেন ফিরহাদ হাকিম। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই এই ঘোষণা মেয়রের। এরপর আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রী যান সেখানে।

বুধবার তখন রাত আটটা। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল বাগবাজার ব্রিজের কাছে বস্তি এলাকা। উত্তরে হাওয়া বওয়ার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। মাত্র ঘন্টাখানেকের ব্যবধানে বস্তির সম্পূর্ণ অংশ পুড়ে যায়। বস্তির পাশেই রয়েছে সারদা মায়ের বাড়ির অফিস ঘর। আগুন ছড়িয়ে পড়ে সেখানেও। পুড়ে গিয়েছে অফিসের আসবাবপত্র। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। ২৭টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও বিধ্বংসী আগুনে ছাদহারা বহু মানুষ। তাদেরকে দ্রুত বাগবাজার উইমেন্স কলেজে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ফিরহাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আশ্বাস দেন, ‘মুখ‌্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুনর্বাসনের ব‌্যবস্থা করা হবে। আপাতত অস্থায়ী শিবিরে খাওয়া-থাকার ব‌্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।’ রাতের আশ্রয়ের জন্য চারটি কমিউনিটি হল খুলে দেওয়া হয়েছে। ফিরহাদ ছাড়াও সেখানে যান মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ‌্যায়। এছাড়া বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল-সহ স্থানীয় কাউন্সিলরও উপস্থিত ছিলেন উদ্ধারকার্য চলার সময়। স্থানীয়দের অভিযোগ, খবর দেওয়ার বেশ কিছুটা সময় পরে দমকল পৌঁছায় বাগবাজার বস্তিতে। ফলে আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এ প্রসঙ্গে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু জানান, ‘আমি গঙ্গাসাগরে রয়েছি। কিন্তু খবর পেয়েই দফতরের ডিজির সঙ্গে কথা বলেছি। দমকল কর্মীরা আগুন দ্রুত নেভাতে সবধরনের চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি বেশ কয়েজন দমকল কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আহতও হয়েছেন।’

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles