তিন বছরের ঘাটতি ভেবে অর্থমন্ত্রীকে টাকা ঢালার সুপারিশ বণিকসভার

নিউজ ডেস্ক: ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজের পরও চাঙ্গা হয়নি ভারতের অর্থনীতি। তথ্যের অধিকার আইনে জানা গিয়েছে, অক্টোবর মাসে শেষ পর্যন্ত তার মাত্র ১০ শতাংশ খরচ হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ঘাটতির কথা ভুলে আর্থিক বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রকে টাকা ঢালার দাবি বণিকসভার। বাজেট প্রস্তুতিতে সব মহলের সঙ্গে আলোচনা শুরুর প্রথম দিনেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল শিল্পমহল। সেখানেই অতিমারির মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতেও আরও বরাদ্দ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।

চলতি অর্থবর্ষে রাজকোষ ঘাটতি ৩.৫ শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্য নিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। কিন্তু বাজেট তৈরির সময়ে করোনা ছিল দূরে। এখন ঘাটতির হার লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। অর্থ মন্ত্রকই ঘোষিত লক্ষ্যের দেড়গুণ ঋণ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনীতিবিদরা একাধিকবার অভিযোগ তুলেছেন, মোদি সরকার অর্থনীতিতে জোয়ার আনতে, বাজারে চাহিদা বাড়ানোর জন্য রাজকোষ থেকে যথেষ্ট টাকা খরচ করছে না। মূলত ব্যাঙ্কের ঋণের ওপরই নির্ভর করছে। এখন দেখা যাচ্ছে, সেই ব্যাঙ্কের ঋণও বিশেষ বিলি হয়নি। অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকার ‘ভোটের জুমলা’-র মতো ‘করোনা জুমলা’ বলে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গািন্ধ।

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে বণিকসভা সিআইআই সভাপতি উদয় কোটাক বলেন, ‘‘করোনার সময়ে কর বাবদ আয় যথেষ্ট কমে গিয়েছে। তাই বাজেটে আর্থিক বৃদ্ধির দিকে নজর দিতে হবে। চলতি বছরের রাজকোষ ঘাটতির কথা না ভেবে তিন বছরের সময়কালে ঘাটতি নিয়ে ভাবতে হবে।’’ শুধু তাই নয়, বণিকসভার সুপারিশ ঘাটতির কথা ভুলে আর্থিক বৃদ্ধির জন্য টাকা ঢালতে হবে সরকারকে। পাশাপািশ অতিমারির মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতেও আরও বরাদ্দ বাড়াক বাজেটে।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles