বন্দিদের মরদেহ দিয়ে ফুলের সার বানাচ্ছে উত্তর কোরিয়া

নিউজ ডেস্ক : ফের খবরের শিরোনামে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জন উন। বরাবরই নারকীয়, নৃশংস শাসক হিসাবেই কুখ্যাতি তাঁর। এবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল বন্দিদের হত্যা করে জৈব সার প্রস্তুত করার। অভিযোগটি এনেছে ‘কমিটি ফর হিউম্যান রাইটস ইন নর্থ কোরিয়া’ নামে আমেরিকার এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

করোনার কারণে সে দেশের অর্থনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে। ফলে পেটের দায়ে সেদেশের বাসিন্দারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে চাইছেন। কিন্তু যাতে তারা দেশ ছাড়তে না পারেন তাই সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। পালানোর চেষ্টা করলেই আটক করে পশুপালনের কাজে লাগানো হচ্ছে বন্দিদের। অর্ধভুক্ত রাখা হচ্ছে তাদের। ফলত অনাহারে খাঁটুনি সহ্য করতে না পেরে কয়েকদিনের মধ্যেই মারা যাচ্ছে তারা।

উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিংইয়ং থেকে কিছু দূরে দ্য চংসান নামে একটি ক্যাম্পে আটক করে রাখা হচ্ছে তাদের। এর আশেপাশের অঞ্চলেই তাদের কাজে লাগানো হচ্ছে বলে ওই সংস্থা একটি উপগ্রহ চিত্র দেখিয়ে দাবি করেছে। বন্দিরা মারা গেলে মাটি চাপা দিয়ে জৈব সার প্রস্তুত করে পাঠানো হচ্ছে ফুলের বাগানে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে সারা বিশ্বজুড়ে। উত্তর কোরিয়া প্রশাসন অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ। প্রসঙ্গত, এর আগেও নিজের পিসেমশাইকে কুকুর দিয়ে খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছিল কিম জন উনের বিরুদ্ধে।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles