ভাঁড়ে টাকা জমানোর দিন শেষ

নিউজ ডেস্ক: মনে পড়ে ছোট বেলায় ভাঁড়ে টাকা জমানোর কথা। স্কুলে টিফিন খাওয়ার জন্য যে ঘুচরো দুই এক পয়সা পাওয়া যেত সেটা থেকে কিছু বাঁচিয়ে ভাঁড়ে জমিয়ে রাখা।  কিন্তু এই টাকা জমানোর প্রথা এখন থেকে নয়। বহুদিন আগে কখনও গাছের কোটর বা গাছের তলা, কখনও বা নিজের বিছানার তলা।

এক সময় ছিল যখন প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়ির গৃহিণীরা এই মাটির ভাঁড়ে পয়সা ফেলতেন সংসারের কল্যাণ কামনা করে।মানুষ যেদিন থেকে সঞ্চয় করতে শিখেছে, সেদিন থেকেই আবিষ্কার করেছে টাকা জমানোর নানা উপায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই লক্ষ্মীর ভাঁড় ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।বর্তমানে একদিকে যেমন খুচরো পয়সা বিলুপ্তির পথে তেমনি অন্য দিকে ব্যাংক ও এটিএম এর জামানায় এখন কেউ এই লক্ষ্মীর ভাঁড়ে টাকা জমান না।গ্রাম গঞ্জের অনেক শিল্পীরা আজও দুটো টাকা রোজগারের জন্য এই লক্ষ্মীর ভাঁড় বা মাটির ভাঁড় বানিয়ে চলেছেন।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles