পুরনো আকর্ষণ বাড়াবেন কী ভাবে, জেনে নিন কিছু উপায়

নিউজ ডেস্ক: একটা সময় চুটিয়ে প্রেম করেছেন। কখনো কলেজ থেকে বেড়িয়ে সিনেমা দেখেছেন কখনও বা লেকের ধারে বসে একে অপরকে নতুন করে প্রপোজ করেছেন। কিন্তু, বিয়ের পর কোথাও যেন মনে হচ্ছে পুরোনো প্রেম বোধহয় হারিয়ে গেছে। কোথাও কী সে সবের জন্য আপনি নিজেই দায়ি নয় তো? তাই নিজের কাছের মানুষকে কাছে জেনে ফেলুন কী কী করতে হবে আপনাকে।

১. সংসার করতে সব মেয়েরাই ভালোবাসে। কিন্তু সেই সংসার সামলাতে গিয়ে নিজের প্রতি আর যত্ন নিতে পারেন না অনেকেই।আর যার ফলে স্বামীর সঙ্গে তৈরি হয় দুরত্ব। তাই প্রতিদিন নতুন করে নিজেদের সাজাতে হবে। স্ত্রী হিসেবে শুধু প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বা কাজকর্মে নিজেকে আবদ্ধ রাখবেন না। বরং হয়ে উঠুন স্বামীর বিনোদনের অবলম্বন। আপনার সহচার্য্যে এলেই যেন সারাদিনের ক্লান্তি বা অফিসের চাপ ভুলে আনন্দ ঘিরে রাখে সঙ্গীকে। এজন্য আপনি তার পছন্দের কোন কিছু উপহার দিতে পারেন, সুখকর বা মজার কোনো বিষয়ে গল্প করতে পারেন। অথবা এক কাপ কফি বানিয়ে তার হাত ধরে কিছুটা সময় পার করে দিতে পারেন।

২. আমাদের দেশে যৌনতা বিষয় অনেকটা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে কথা বলাটা যেন অপরাধ। আর এ কারণে যুগলদের যৌনশিক্ষা বিষয়ে তেমন ধারণা থাকে না। আর এটাই অনেক সময় সম্পর্কের ফাটল ধরায়। সুস্থ ও সুখময় যৌনজীবন সুখী সংসারের পূর্বশর্ত। এ সমস্যা এড়াতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন স্বামীর সঙ্গে। মনে রাখবেন, স্বামী-স্ত্রী দুজনের বোঝাপাড়া যতো ভালো হবে, যৌনজীবন ততো মধুর হবে। আর এ দায়িত্ব কেবল আপনার স্বামীর নয়, এখানে আপনাকেও এগিয়ে আসতে হবে। নিজের ভালোলাগা, ভালোবাসা প্রকাশ করতে হবে। আপনার একটা আলিঙ্গন বা একটি মিষ্টি হাসি একরাশ সুখ ছড়িয়ে দিতে পারে স্বামীর মনে। ভাসতে পারে আনন্দ ভেলায়। আর সে ভেলার যাত্রী কিন্তু আপনিই।

৩. প্রশংসা শুনতে সবাই পছন্দ করে। একে অন্যকে প্রশংসা একটি সুস্থ, সুন্দর পারিবারিক জীবনের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করে। স্বামীর কোনো কিছু ভালো লেগে গেলে অবশ্যই মুগ্ধতা প্রকাশ করবেন। এতে স্বামী পরবর্তীতে কাজটি করতে উত্‍সাহ পাবে। এমনকে স্বামীর কোনো নেতিবাচক স্বভাব পরিবর্তন করতে অভিযোগ না করে প্রশংসা করুন অথবা ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করুন। এটা বেশি কাজ করবে।

৪. সংসারের কাজ দুজনকেই ভাগাভাগি করে করা উচিত। এতে একজনের উপর চাপ কমে যায়। তার জন্য একটু প্রশান্তি মেলে। ফলে সময় থাকলে বাজারের কাজটি স্বামীকে না বলে আপনিই করে ফেলুন। অথবা কাপড়গুলো লন্ড্রিতে পাঠিয়ে দিতে পারেন। বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে আসার কাজটি অথবা বাচ্চার বাড়ির কাজ তৈরিতে স্বামীর সহযোগিতা না চেয়ে নিজেই সেরে ফেলুন।

৫. নিজেকে সবসময় স্বামীর কাছে আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করুন। যতই কাজ থাকুক, সব সময় পরিপাটি থাকার চেষ্টা করুন। যাতে আপনাকে দেখেই স্বামীর মধ্যে এক ধরনের মুগ্ধতা কাজ করে। আপনাকে দেখে যেন সেই প্রথম দিনের মতো পুলকিত হয়।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles