‘বিজেপি চাইলে যে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে পারে’, নীতীশের মন্তব্যে জোটে ফাটল স্পষ্ট

নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল বিধানসভায় নির্বাচিত জেডিইউয়ের ৬ বিধায়ক একসঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। আর তার আঁচ এসে পড়ল বিহারে। এদিন রাগঢাক না রেখেই মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের মন্তব্য, ‘‘আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইনি। বিজেপি চাইলে তাদের পছন্দমতো ব্যক্তিকেই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসাতে পারে।’’

বিজেপির সঙ্গে জেডিইউর সম্পর্কে অবনতি হতে শুরু করেছে। তার মধ্যেই অরুণাচল প্রদেশে নিজের শরিকেরই ঘর ভেঙেছে বিজেপি। অরুণাচল বিধানসভায় নির্বাচিত জেডিইউয়ের ৬ বিধায়ক একসঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ফলে উত্তর-পূর্বের রাজ্যটিতে প্রধান বিরোধী দলের তকমা হারিয়েছে নীতীশ কুমারের দল। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, জেডিইউ সাধারণ সম্পাদক কেসি ত্যাগী বলেছেন, দল এই ঘটনায় ক্ষোভ, অসন্তোষ প্রকাশ করছে এবং এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে। জোট রাজনীতির ক্ষেত্রে তা আদৌও সুলক্ষ্মণ নয়। অটল বিহারী বাজপেয়ীর জমানা এবং গত ১৫ বছর বিহারে যেমন হয়েছে, শরিকদের তেমনই জোট রাজনীতির ধর্ম অনুসরণ করা উচিত।

এরপর দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে নীতীশের মন্তব্যও জল্পনা উস্কে দিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কোনও আকাঙ্খা ছিল না। আমার ওপর চাপ ছিল এবং সেজন্য পদ গ্রহণ করেছি। বিহারে যে কেউ মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন, যে কাউকেই মুখ্যমন্ত্রী করা যেতে পারে। আমি কিছু মনে করব না। বিজেপি তাদের নিজেদের কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে পারে।’’ রবিবারই দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। জেডিইউ-এর নয়া জাতীয় সভাপতির পদে আনা হয়েছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ রামচন্দ্র প্রসাদ সিংকে। তিনি আবার নীতীশ কুমারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। নীতিশের মতো তিনিও বিহারের নালন্দা জেলারই বাসিন্দা। তবে এই ঘোষণার পরই বোমা ফাটালেন নীতীশ।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles