শনিবার থেকে করোনা ভ্যাকসিনের ড্রাই রান বাংলায়

নিউজ ডেস্ক: শনিবার থেকে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যগ্রামের ইউপিএইচসি চার,আমডাঙা ও সল্টলেকের দত্তাবাদে করোনা ভ্যাকসিনের ড্রাই রান শুরু হবে। দেশে প্রথম করোনা প্রতিষেধক হিসাবে শুক্রবারই বিশেষজ্ঞ দলের কাছে অনুমোদন পেয়েছে কোভিশিল্ড। শনিবার করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় দফার ড্রাই রান শুরু হচ্ছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরাই টিকাকরণের কাজ করবেন। তবে এই ড্রাই রান কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে ভ্যাকসিন প্রদান পরিষেবা চালু হলে কীভাবে কোন পদ্ধতিতে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তার খুঁটিনাটি সবকিছু তুলে ধরা হবে এই ড্রাই রানে। ভ্যাকসিন দেওয়া বাদে, বাকি যেসব প্রক্রিয়া রয়েছে তা দেখানো হবে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। এই ড্রাই রান প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকবেন ভ্যাকসিনেশন অফিসার, পুলিস, ক্লায়েন্ট সকলেই । ড্রাই রানের মূল লক্ষ্যই হল দেখে নেওয়া, ভ্যাকসিন দিতে রাজ্যগুলি কতটা তৈরি। এই কাজে নিযুক্ত ক্লাইন্ডদের অনলাইনে নাম তোলার কাজ করতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক দেশের প্রায় ৯৬,০০০ ভ্যাকসিনেটরকে এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দিয়েছে । যার মধ্যে ২৩৬০ জনকে জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বাকিরা জেলাস্তরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এখনও ৭১৯টি জেলায় এই প্রশিক্ষণ পর্ব চলেছে। এই ড্রাই রান পর্বে প্রত্যেকটা কেন্দ্রে ২৫ স্বাস্থ্যকর্মী ‘ডামি ভ্যাকসিন’ নেবেন। যা দেখে বোঝা যাবে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে প্রক্রিয়াগত ও প্রযুক্তিগত কোন অসবিধা হচ্ছে কিনা। করোনার ভ্যাকসিনের ড্রাই রান এর আগেও অন্ধপ্রদেশ, অসম, গুজরাতে হয়েছে। শনিবার চলবে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা, কেরল,অসম, গুজরাতে।

আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলিতে কী ভাবে প্রয়োগ করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলবে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কাজ দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন। সেরাম থেকে জানানো হয়েছে এই ভ্যাকসিনের চার থেকে পাঁচ কোটি ডোজ তৈরি হয়ে গিয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যে কোভিশিল্ড টিকার ৩০ কোটি ডোজ তৈরি করে ফেলবেন বলে দাবি করেছেন সেরামের কর্ণধার আদর পুণেওয়ালার দাবি।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles