বিতর্কিত কৃষি আইনে কোনও যোগসূত্র নেই, চাপে পড়ে সাফাই অম্বানির সংস্থার

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইনের সঙ্গে রিলায়্যান্সের কোনও যোগসূত্র নেই। কৃষক আন্দোলনের প্রভাব পড়তেই এবার এমনই বিবৃতি দিল অম্বানির সংস্থা। সম্প্রতি পঞ্জাব এবং হরিয়ানায় রিলায়্যান্সের বিভিন্ন অফিস ও টাওয়ার ভাঙচুরের ঘটনারও নিন্দা করা হয়েছে এদিন। সোমবার এই মর্মে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের দ্বারস্থও হন রিলায়্যান্স কর্তৃপক্ষ।

রিলায়্যান্স রিটেল লিমিটেড, রিলায়্যান্স জিয়ো ইনফিকোম অথবা রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড অতীতে কখনও কর্পোরেট বা চুক্তিভিত্তিক কৃষিকাজে হাত দেয়নি। আর এই ব্যবসায় ঢোকার কোনও ইচ্ছেও সংস্থার নেই। সোমবার বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানাল রিলায়্যান্স কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি পঞ্জাব এবং হরিয়ানায় রিলায়্যান্সের জমি কেনার খবর চাউড় হয়। যার জেরে বিগত কয়েক দিনে দুই রাজ্যে জায়গায় জায়গায় রিল্যায়েন্সের সম্পত্তি তছনছ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। শুধুমাত্র পঞ্জাবেই রিলায়্যান্স জিয়ো-র ১৫০০-টির বেশি টেলিকম টাওয়ারে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয় রিলায়্যান্সের বিভিন্ন দফতরে। কেটে দেওয়া হয় কেবল সংযোগও। এমনকী জেনারেটর চুরির অভিযোগও সামনে আসে। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মুকেশ অম্বানি এবং আদানির কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফলমূল, শাকসবজি, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস, জামা-কাপড়, ওষুধ, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, খাদ্যশস্য, এ সবকিছু বিক্রি করলেও, সরাসরি কৃষকদের থেকে তা কেনে না তারা। বরং এজেন্টরাই তা সরবরাহ করেন। কৃষকরা যাতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পান, সে ব্যাপারে এজেন্টদের কড়া নির্দেশও দেওয়া রয়েছে বলে দাবি ওই সংস্থার। তাদের অভিযোগ, প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলি ইচ্ছাকৃত ভাবে তাদের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। যদিও এই বিবৃতিতে মন ভিজছে না কৃষকদের। তাঁদের পাল্টা অভিযোগ, এজেন্টরা কৃষকদের সহায়ক মূল্য দিচ্ছে কি না, তার খবর নেয় না রিলায়্যান্স। একটাই প্রশ্ন, তাহলে এ বিষয়ে সরকারও কোনওরকম প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে না কেন?

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles