Html code here! Replace this with any non empty raw html code and that's it.

বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক : বুধবার ৫০তম বিজয় দিবস উপলক্ষে দিল্লির স্বর্ণিম বিজয় মশালে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৯৭১-র যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয় হয়। পাকিস্তান ভেঙে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ। তারপর থেকেই প্রতি বছর ১৬ ডিসেম্বর দিনটি বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।

এদিন দিল্লির ন্যাশানাল ওয়ার মেমোরিয়ালে যুদ্ধ জয়ের প্রতীকস্বরূপ ‘স্বর্ণ বিজয় মশাল’ প্রজ্বলন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আরও চারটি মশাল রয়েছে। সেগুলি ১৯৭১-এর যুদ্ধের পরমবীর চক্র ও মহাবীর চক্র পুরস্কার প্রাপকদের গ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। শহিদ সেনানীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত-সহ তিন বাহিনীর প্রধানেরাও।

বিজয় দিবস উপলক্ষে ট্য়ুইট করে বীর সেনাদেরকে স্যালুট জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ৫০ বছর পূর্তিতে বিজয় দিবস উপলক্ষে এদিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ ‘স্বর্ণিম বিজয় বর্ষ’-র লোগোর আবরণ উন্মোচন করেন।

ট্যুইটারে ভারতীয় সেনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, “১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনার পরাক্রম বিশ্বের মানচিত্র এক বিরাট বদল ঘটিয়েছিল। স্বর্ণাক্ষরে এই দিনটি ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।” ট্যুইট বার্তায় রাজনাথ সিং লেখেন, “আজকে বিজয় দিবসের উপলক্ষে আমি ভারতীয় সেনার বীরত্ব এবং সাহসকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই। আমি আমাদের সৈন্যদের বীরত্বের কথা স্মরণ করি যারা ৭১-এর যুদ্ধে বীরত্বের নতুন কাহিনি লিখেছিলেন।”

তবে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েও কেন্দ্রকে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। ট্যুইটারে তিনি লিখেন, “বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। এবং ভারতীয় সেনার বিক্রমকে স্যালুট।

এই ঐতিহাসিক ঘটনা সেই সময়কার, যখন প্রতিবেশী দেশের মানুষ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর বিশ্বাস রাখতেন। ভারতের সীমানা পার করতে শত্রুরা ভয় পেতেন।” বলাই বাহুল্য লাদাখ সীমান্তে চিনের আগ্রাসন নিয়ে নাম না করেই প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন রাহুল গান্ধি।

 

 

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles