‘দলবিরোধী মন্তব্য’ করে বিপাকে সায়ন্তন, নেতাকে শোকজ রাজ্য বিজেপির

নিউজ ডেস্ক : সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলে দল বিরোধী কাজ করেছেন তিনি। এই অভিযোগে দলের রাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু-সহ তিন নেতাকে শোকজ করল রাজ্য বিজেপি। সাত দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। দলের রাজ্য সহ সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় তিন নেতাকে চিঠি পাঠিয়েছেন। সায়ন্তন বসু ছাড়াও দলের আলিপুরদুয়ার জেলার সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা এবং নাগরাকাটা মন্ডল-১-এর সভাপতি সন্তোষ হাতিকে শোকজ করা হয়েছে।
সম্প্রতি তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলে পুর প্রশাসক ও দল থেকে ইস্তফা দেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এরপরেই রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন জিতেন্দ্র। বিধায়কের বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বসেন সায়ন্তন বসু। জিতেন্দ্র তিওয়ারি যাতে বিজেপিকে যোগ না দিতে পারেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সেবিষয়ে কথা বলবেন বলে ঘোষণা করেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই মন্তব্যের জন্যই সায়ন্তন বসুকে শোকজ করা হয়েছে।
সম্প্রতি অমিত শাহের সভায় তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসেন প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে, আলিপুরদুয়ার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান আশিস দত্ত ও দলের জেলা তৃণমূল সহ সভাপতি বাপ্পা মজুমদার। ওইসব নেতাদের যোগদান প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। তিনি বলে, ‘এখন জেলায় দলে কোনও পদ খালি নেই। এঁদের পদ দেওয়া যাবে না।’ তাঁর ওই মন্তব্যের কারণেই শোকজ করা হয়েছে বলে খবর।
নাগরাকাটার বিধায়ক শুকরা মুণ্ডা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আদি ও নব্য বিজেপির বিরোধ সামনে আসে। ওঠে দলবিরোধী স্লোগানও। দল বিরোধী স্লোগানের পিছনে নাম জড়ানোয় নাগরাকাটার মণ্ডল সভাপতি সন্তোষ হাতিকে শোকজ করেছে রাজ্য বিজেপি।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles