Html code here! Replace this with any non empty raw html code and that's it.

নিজে রেশনের চালের ভাত খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আপ্যায়নে থাকল ‘মিনিকেট’

নিউজ ডেস্ক: ভাত, ডাল, পালং শাক, বেগুন ভাজা, পটল ভাজা, আলুপোস্ত। শেষ পাতে যোগ হল চাটনি, পাঁপড়, নলেন গুঁড়ের রসগোল্লা ও নলেন গুড়ের পায়েস। শ্যামবাটির বাসুদেব বাউলের বাড়িতে এই মেনুতেই মধ্যাহ্নভোজ সারলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু লকডাউনের পর যার নিজেরই দু’বেলা পেট ভরাতে সম্বল ছিল রেশনের চাল আর ডাল। তিনি কীভাবে এমন শাহী আয়োজন করলেন? এখন এই নিয়েই কানাঘুঁষো চলছে বাসুদেব বাউলের প্রতিবেশীদের মধ্যে।

লকডাউনে একটাও কাজ পাননি। আয় বলতে রাজ্য সরকােরর দেওয়া শিল্পী-ভাতা। বাউল পরিবারে জমানো সম্পদ বলে প্রায় কিছুই থাকে না। প্রতিবেশীরা জানান, তাঁেদর প্রত্যেকর মতোই বাসুদেব বাউলেরও রেশনের চাল ও ডাল। একমাস আগে অবশ্য যে পরিমাণ রেশন সামগ্রী পেতেন, তা বর্তমােন কমে গিয়েছে কেন্দ্র বিনামূেল্যর রেশন বন্ধ করে দেওয়ায়। এমন সময় দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজের দায়িত্ব পেলেন তিনি। সকাল থেকেই বাউলের বাড়িতে মহা তোড়জোড়। বাজারহাট আগেরদিনই সেরে রেখেছিলেন তিনি। ভোর হতেই হাড়ি চড়িয়ে দিয়েছিলেন উনুনে। শরীরে উত্তেজনাও ছিল তুঙ্গে। বাসুদেবের কথায়, “আমরা নিজেরা রেশনের চালই খাই। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন বলে কথা! ওঁনার জন্য বাজার থেকে মিনিকেট চাল কিনে এনেছিলাম। তাতেই রান্না হয়। উনি কি আর বারবার আসবেন!”

বছর তিনেক আগে অমিত শাহ বাংলায় উত্তরবঙ্গে মাহালি দম্পতির টিনের বাড়িতে খেয়ে যে রীতি চালু করেছিলেন, সেই ধারা বয়ে নিয়ে চলেছেন এখনও। এর আগে এক মতুয়া সম্প্রদায়ের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ করেছিলেন অমিত শাহ। এবার কৃষক পরিবারে, রবিবার বাউল বাড়িতে। খাওয়া-দাওয়ার পাশাপািশ হৃদমাঝারে’র তালে তালও দিলেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মধ্যে দিয়েই বাংলায় বাউল সম্প্রদােয়র ভোট পেতে চাইছে বিজেপি। বাউল সম্প্রদায়ের জন্য আগেই ভাতা ঘোষণা করার জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এখন দেখার একুশের ভোটে এর প্রভাব কতটা পড়ে?

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles