মারণ জুয়ায় মেতে ঘাটাল, প্রতিবাদ করবে কে?

নিউজ ডেস্ক: কখনও মেলে দ্বিগুন। আবার কখনও পুরো টাকাটাই যায় জলে। তবুও টাকা বাড়ানোর নেশায় জুয়ার ঠেকের সামনে সাধারণ মানুষের ভিড়। একইসঙ্গে অন্যদিকে অভাব বাড়িতে। এভাবেই একটা প্রজন্ম ক্রমশ অন্ধকারের দিকে চলে যাচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে। তবু প্রতিবাদ করার কেউ নেই। কারণ, এই জুয়া খেলার সঙ্গে যুক্ত এলাকার বিশিষ্টজনেরা।

খেলাটি মূলত কলকাতা থেকে পরিচালিত হলেও একাধিক কাউন্টার খোলা হয়েছে ঘাটালে। প্রতিটি কাউন্টারের জন্য আলাদা আলাদা নম্বর বা কোড ধরতে হয়। আর সেই কোড ধরতে সন্ধে নামতেই কাউন্টারগুলির সামনে লম্বা লাইন পড়ে। কখনও নম্বর মিললে মেলে দ্বিগুন টাকা। আর না মিললে বাজি রাখা টাকাটাই হয় হাতছাড়া। এই খেলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, ‘এটা জুয়া, এক-আধবার লাগে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই টাকা জলে যায়।’ তাহলে কেন খেলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তাঁদের জবাব, ‘জুয়াটাও একটা নেশা দাদা।’

স্থানীয় মহিলাদের দাবি, প্রশাসন সব জানে। বেশ কয়েকবার ঘাটাল থানার পুলিশ অধিকারিকরা অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। অভিযোগ, ঘাটালে এই চক্রের প্রধান এক অ্যাম্বুল্যান্স মালিক। তিনিই এলাকায় এই জাল বিস্তার করেছেন। সঙ্গে যোগ রয়েছে এলাকার বিশিষ্টজন ও স্বনামধন্য ব্যক্তিদের। তাঁদের আশঙ্কা, এই ভাবে চলতে থাকলে অচিরেই একটা প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles