যত কেলেঙ্কারি বিশ্বভারতীতে! সিএজির রিপোর্টে কাঠগড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতাল

নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ওষুধ দেওয়া হয়েছে হাসপাতালের আউটডোর থেকে। জমি নিয়ে নানা জটিলতার পর এবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসাপাতালে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। ওষুধ সংক্রান্ত দুর্নীতি অভিযোগ পেয়ে সম্প্রতি তদন্ত শুরু করে সিএজি। সিএজির রিপোর্টে এই গরমিলের তথ্য সামনে আসতেই পাঁচ জন ফার্মাসিস্টকে শোকজ করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব একটি হাসপাতাল রয়েছে – পিয়ারসন মেমোরিয়াল হাসপাতাল। বিশ্বভারতীর কর্মী, অধ্যাপক, আধিকারিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এবং ছাত্রছাত্রীরা চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে থাকেন এই হাসপাতাল থেকে। পিয়ারসন হাসপাতাল নিয়ে সিএজির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গত চার বছর ধরে ওষুধের এই দুর্নীতি চলছে। মূলত অ্যাজিথ্রোমাইসিন এবং সেফিক্সিন ট্যাবলেট নিয়ে ব্যাপক আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে এখানে। সূত্রের খবর, ২ লক্ষেরও বেশি ট্যাবলেট স্টোর থেকে ইস্যু হয়ে কাউন্টারে আসে রোগীদের দেওয়ার জন্য। নিয়ম অনুসারে, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুসারে কাউন্টারে যাঁরা থাকেন, তাঁরাই ওষুধ দিয়ে থাকেন। কিন্তু কোনওরকম প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওই ওষুধ দেওয়া হয়েছে। গত চার বছরে যে পরিমাণ ট্যাবলেট ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেওয়া হয়েছে, তার আর্থিক মূল্য ২০ লক্ষ টাকারও বেশি।

বিষয়টি সামনে আসতেই পিয়ারসন হাসপাতালের সিএমও অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় পাঁচজন ফার্মাসিস্টকে শোকজ করেন। সূত্রের খবর, বিশ্বভারতীর পিয়ারসন হাসপাতালে যে ২০ লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই অর্থ এই পাঁচজনের কাছ থেকে উদ্ধার করতে পারে। অন্যথায় এঁদের সাসপেন্ড করা হতে পারে। তবে পাঁচজনের মধ্যে দু’জন জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে চাকরি থেকে অবসর নেবেন বলে জানা গিয়েছে।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles