নেতাইয়ের শহিদ দিবসে তৃণমূল নেতাদের বহিরাগত বললেন শুভেন্দু

নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের পর তৃণমূল নেতৃত্বের আগেই নেতাইয়ে শহিদ দিবস পালন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, কটাক্ষ করে তৃণমূলের কলকাতার নেতাদের ‘বহিরাগত’ বলে উল্লেখ করলেন তিনি। স্লোগান তুললেন, ‘গদ্দার হটাও।’

মধ্যরাতে নন্দীগ্রাম দিবস পালন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই সোনাচূড়ায় পৌঁছেছিলেন এবং শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেছিলেন তিনি। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে এই অনুষ্ঠানে মোমবাতি হাতে হাজির ছিলেন প্রচুর সাধারণ মানুষ। তবে অভিযোগ, এদিন অনুষ্ঠান চলাকালীন দুষ্কৃতীরা একটি বোমা ফাটায়। তার প্রতিবাদও করেন শুভেন্দু। রাতেই নন্দীগ্রামে শহিদ দিবস পালনের পরে ভোরে রওনা দেন। সকাল ৮:৪৫ নাগাদ নেতাই পৌঁছন তিনি। এদিন বেলায় সেখানে সভা করে তৃণমূল।

নেতাইয়ের শহিদ বেদিতে মাল্যদানের পাশাপাশি নিহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জানান শুভেন্দু। পরে ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর রাস্তায় তৃণমূলের পতাকা লাগানো নিয়ে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘আজ নেতাই ঢুকতে গিয়ে যা দেখলাম, তা এলাকার মানুষ ভাল চোখে নেননি। গোটা রাস্তা পতাকায় মুড়ে দিয়েছে, যা খারাপ লাগছে। আমি যতদিন ধরে এখানে আসছি কোনও দিন দলের পতাকা ব্যবহার করিনি। আজকেও বিজেপির নেতারা এসেছেন। কিন্তু দলের পতাকা নিয়ে নয়।’ নেতাইয়ের ঘটনার স্মরণে তিনি বলেন, ‘শুধু সিপিএমকে দোষ দিলে হবে না। জনসাধারণের কমিটির নামে অনেকে বিশৃঙ্খলা করা হয়েছিল। আটকে ছিল রাস্তা। পিরাকাটা, সাতপাটি এলাকায় অবরোধে আটকানো হয়েছিল। ভয় দেখানো হয়েছিল সেই সময়। কিন্তু আমি ভয় পাওয়ার লোক নই। মৃত্যুকে ভয় পাই না। জঙ্গলমহলের সাথে হৃদয়ের সম্পর্ক।’ যদিও পরে সভা করে শুভেন্দুকে পাল্টা আক্রমণ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles