শহিদ দিবস পালনেও ফুটে উঠল শুভেন্দু-তৃণমূল তরজা

নিউজ ডেস্ক: ৭ জানুয়ারি নেতাইয়ের শহিদ দিবস পালনেও শুভেন্দু-তৃণমূল তরজা অব্যাহত। এদিন একদিকে যেমন নেতাই গণহত্যা দিবস, অন্যদিকে এদিনই আবার নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসও। এই দুই জায়গাতেই কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল। পাল্টা কর্মসূচি নেন শুভেন্দু অধিকারীরও। সেইমতই আগে ভাগে বুধবার রাত ১২ টার পরই নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। যথারীতি বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের তরফে পালিত হল শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার সকালেই ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ব্যানারে নন্দীগ্রামে সভা করেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। সভায় বক্তব্য রাখেন ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতা শেখ সুফিয়ান। তাঁর অভিযোগ, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় শুভেন্দুকে এখানে দেখা যায়নি। সেই নন্দীগ্রামেই বুধবার রাতে শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু। সেখানে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, ‘নন্দীগ্রামে তিন বছর কেউ আসেননি। পরেও কেউ আসবেন না। ভোটের বছর বলে এখন অনেকের আনাগোনা বেড়েছে।’ এরপর ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানেও যোগ দেন শুভেন্দু। এদিন নেতাই গণহত্যারও বর্ষপূর্তি। নেতাইয়ে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন বিজেপি নেতা। শহিদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ৫ হাজার টাকা করে তুলে দেন শুভেন্দু।

২০০৭ সালের ৭ জানুয়ারি। এই দিন জমিরক্ষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ভরত মণ্ডল, শেখ সেলিম ও বিশ্বজিৎ মাইতির দেহ উদ্ধার হয়েছিল স্থানীয় সোনাচূড়ার ভাঙাবেড়া সেতুর কাছে। এই তিনজনকে জমি রক্ষা আন্দোলনের প্রথম ‘শহিদ’-এর সম্মান দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের স্মরণ করেই প্রতি বছর ভাঙাবেড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করে তৃণমূল নেতৃত্ব। ভোট বড় বালাই, তাই সব রাজনৈতিক দলই নিজের নিজের মত করে শুরু করে দিয়েছে যুদ্ধের বাজনা। এবার তাই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান পালনেও চলে এল আমরা-তোমরার লড়াই।

 

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles