শুভেন্দুর হুঙ্কারের পরই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর

নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর হুঙ্কারের পরই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। তালা ভেঙে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করা হল। অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।

নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদানের পরই একাধিকবার রাজনৈতিক কারণে উত্তপ্ত হতে দেখা গিয়েছে নন্দীগ্রামকে। তবে এদিনের ঘটনা কিছুটা ভিন্ন। মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে একটি ‘অরাজনৈতিক’ সভা করেন শুভেন্দু। সেখানে বিজেপি সমর্থকদের একটি বাসে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তা নিয়ে টাউন হল থেকে তৃণমূলের উদ্দেশে হুঙ্কার ছেড়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওরা গাড়ি ভেঙেছে। আমাদের জনা ১৫ কর্মীকে মেরেছে। এখান থেকে বারাকপুর ও খড়দায় একটা অনুষ্ঠানে যাব। তার পর রাতে আবার নন্দীগ্রামে ফিরব। এটা আমার উপর ছেড়ে দিন।’’

তিনি বুঝে নেবেন বলে একরকম হুঁশিয়ারি দিয়েই রেখেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সভা মিটতেই অশান্তি চরম আকার ধারণ করল নন্দীগ্রামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে সেখানে তৃণমূলের কার্যালয় অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চলল। তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করার উদ্দেশেই এদিন শাসকদলের কার্যালয়ে হামলা চালায় গেরুয়া শিবির। ব্যাপক ভাঙচুর করে তাঁরা। পরবর্তীতে লোকজন জড়ো হতেই এলাকা ছাড়ে অভিযুক্তরা।

ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা প্রলয় পাল। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণেই এই ঘটনা। তবে তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে সম্প্রতি বিজেপি-তে যাওয়া শুভেন্দু তৃণমূল নেতা সুফিয়ানকে বার্তা দিলেন বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। যদিও পুলিশ এখনও তদন্ত করছে।

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles